Sub-sector: Pisciculture
Title of the Sub-Project: Adopting technologies and practices for resilient green growth in fisheries sub-sector
কর্মসূচির পটভূমি:
নদীবাহিত দেশ হওয়ায় বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে জলসম্পদ রয়েছে। অসংখ্য নদী, খাল ও পুকুর ছাড়াও দেশের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত বঙ্গোপসাগর বিশাল জলাধার হিসেবে কাজ করছে। এই জলাধার বিভিন্ন প্রজাতির মাছের আবাসস্থল, যা সুস্বাদু এবং সহজলভ্য হওয়ায় বাঙালিদের প্রধান খাদ্য হিসেবে বিবেচিত হয়। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (FAO) ২০২০ সালের “State of the World Fisheries and Aquaculture” প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উন্মুক্ত জলাশয় থেকে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় এবং বদ্ধ জলাশয় থেকে মাছ উৎপাদনে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।
প্রস্তাবিত উপ-প্রকল্প এলাকায় সম্পদের টেকসই ব্যবহার ও নিরাপদ মাছ উৎপাদনে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান। এর মধ্যে রয়েছে পর্যাপ্ত মূলধনের অভাব, বিদ্যমান সম্পদের অদক্ষ ব্যবহার, গুণগত মানসম্পন্ন ব্রুডস্টক ও খাদ্য উৎপাদনের উচ্চ ব্যয়, দক্ষ জনবলের অভাব, আধুনিক মাছ চাষ প্রযুক্তি সম্পর্কে চাষিদের অসচেতনতা, গুণগতমানসম্পন্ন পানি ব্যবস্থাপনার অভাব, সরকারি-বেসরকারি (GO-NGO) সেবার স্বল্পতা, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন সম্পর্কে সচেতনতার অভাব, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পানির স্তর হ্রাস ও তাপমাত্রার দ্রুত পরিবর্তন এবং পর্যাপ্ত বাজার সুবিধার অভাব। এছাড়া অনিয়ন্ত্রিত সার, অ্যান্টিবায়োটিক ও কীটনাশকের ব্যবহারের ফলে উৎপাদিত মাছ সম্পূর্ণ নিরাপদ বলা যায় না।
আধুনিক প্রযুক্তি ও গুড ফিশিং প্র্যাকটিস অনুসরণ করে যৌক্তিক সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে মাছ চাষে অভ্যস্ত হলে এই অঞ্চলে নিরাপদ মাছ উৎপাদনের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে মানসম্পন্ন পোনা, চিংড়ি PL, খাদ্য, প্রোবায়োটিক, টি-সিড কেক ও ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাইসহ বিভিন্ন উপকরণ স্থানীয় পর্যায়ে নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন ব্যয় হ্রাস ও মাছের মৃত্যুহার কমিয়ে মৎস্যচাষিদের আয় প্রায় ৩০% পর্যন্ত বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে।
এজন্য, চাষিদের সচেতনতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও ঋণ প্রদানসহ বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। গুণগতমানসম্পন্ন পোনা পরিবহন ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ, আধা-নিবিড় মাছ চাষ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং জাতীয় বাজারে নিরাপদ মাছজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে প্রচারমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা জরুরী।
কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
কর্মসূচির মেয়াদকাল:
| শুরুর তারিখ | সমাপ্তির তারিখ |
|---|---|
| ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | জুন ২০২৮ |
মোট সময়কাল: ৩ বছর ৬ মাস
প্রকল্পের জনবল তথ্য:
| ক্রমিক | পদের নাম | সংখ্যা | মন্তব্য | ||
|---|---|---|---|---|---|
| পুরুষ | মহিলা | মোট | |||
| 1 | প্রজেক্ট ম্যানেজার | 1 | 0 | 1 | |
| 2 | এনভায়রনমেন্ট এন্ড আরইসিপি অফিসার | 1 | 0 | 1 | |
| 3 | টেকনিক্যাল অফিসার | 1 | 0 | 1 | |
| 4 | এমআইএস এন্ড ডকুমেন্টেশন অফিসার | 1 | 0 | 1 | |
| 5 | একাউন্টস এন্ড ফাইন্যান্স অফিসার | 1 | 0 | 1 | |
| 6 | এসিস্ট্যান্ট টেকনিক্যাল অফিসার | 1 | 0 | 1 | |
কর্মএলাকা:
নোয়াখালী জেলার ৭টি উপজেলা:
সংস্থার ১২টি শাখার মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
শাখাভিত্তিক ঋণী লক্ষ্যমাত্রা:
| ক্রম | শাখার নাম | এরিয়া | রিজিওন | মোট ঋণী লক্ষ্যমাত্রা (জন) |
|---|---|---|---|---|
| 1 | চরমহিউদ্দিন | সুবর্ণচর-১ | রিজিওন-১ | ৭৫ |
| 2 | চরবাটা | সুবর্ণচর-২ | ৭৫ | |
| 3 | চরবাটা অগ্রসর | ১০০ | ||
| 4 | মোহাম্মদপুর | ৫০ | ||
| 5 | চর ক্লার্ক | ৫০ | ||
| 6 | চর এলাহি | চর এলাহি | ৫০ | |
| 7 | চর এলাহি বাজার | ৫০ | ||
| 8 | শান্তিরহাট | রামগতি | ৭৫ | |
| 9 | সোনাপুর | নোয়াখালী সদর | রিজিওন-২ | ৭৫ |
| 10 | ছয়ানী বাজার | বেগমগঞ্জ | ৭৫ | |
| 11 | সোনাইমুড়ী | সোনাইমুড়ী | ৭৫ | |
| 12 | জমিদারহাট | চৌমুহনী | রিজিওন-৩ | ৫০ |
| মোট | ৮০০ | |||
প্রকল্পের কার্যক্রমসমূহ:
| ক্রমিক | কার্যক্রমের বিবরণ |
|---|---|
| ১ | জলবায়ু প্রতিকূলতা (RECP) ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ |
| ২ | উন্নত মৎস্য চাষ প্রযুক্তি ও খাদ্য প্রয়োগ কৌশল বিষয়ক প্রশিক্ষণ |
| ৩ | কার্যকর মৎস্য খাদ্য উৎপাদন ও খাদ্য প্রয়োগ কৌশল বিষয়ক প্রশিক্ষণ |
| প্রারম্ভিক কর্মশালা | |
| ৫ | পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক সংগঠন |
| ৬ | অভিজ্ঞতা বিনিময় সফর |
| ৭ | উন্নত মাছ চাষ অনুশীলন বিষয়ক প্রশিক্ষণ |
| ৮ | ট্রেড লাইসেন্স, ফিড মিল লাইসেন্স ও পরিবেশ ছাড়পত্র বিষয়ক কর্মশালা |
| ৯ | মৎস্য খাদ্য পরীক্ষণ |
| ১০ | পণ্য বিপণন কার্যক্রম |
| ১১ | ব্ল্যাক সোলজার ফ্লাই/কালো সৈনিক পোকা উৎপাদন |
| ১২ | মাছের আঁইশ সংগ্রহে উদ্যোক্তা উন্নয়ন |
| ১৩ | সর্জান পদ্ধতিতে মাছ চাষ |
| ১৪ | আইওটি পদ্ধতি উন্নয়নের মাধ্যমে সেন্সরভিত্তিক পানির গুণাবলী পরীক্ষার সরঞ্জাম |
| ১৫ | মৎস্য চাষে সৌরশক্তি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ |
| ১৬ | ক্ষুদ্র পরিসরে মৎস্য খাদ্য উৎপাদন কারখানা স্থাপন |
| ১৭ | মাছ বাজার সংস্কার |
|
|
| SMART প্রকল্প পরিচিতি কর্মশালা | বিশ্ব পরিবেশ দিবস আলোচনা সভা |
|
|
| পরিবেশ দিবসের র্যালি উদযাপন | জলবায়ু বিপদাপন্নতা ও আরইসিপি বিষয়ক প্রশিক্ষণ |
|
|
| জলবায়ু বিপদাপন্নতা ও আরইসিপি বিষয়ক প্রশিক্ষণ | বিশ্ব পরিবেশ দিবস র্যালি |
|
|
| মডেল খামারিকে এয়ারেটর প্রদান | মডেল আরইসিপি বাস্তবায়ন |
|
|
| জলবায়ু বিপদাপন্নতা ও আরইসিপি বিষয়ক প্রশিক্ষণ | মডেল খামার পরির্দশন |
|
|
| সর্জন পদ্ধতিতে মাছ চাষ | জনাব মো: তানভীল আরেফীন কনসান অফিসার পিকেএসএফ মডেল আরইসিপি পরির্দশন |
|
|
| মডেল খামারিকে এয়ারেটর প্রদান | ত্রৈমাসিক মিটিং ( এম, আর এম, ফোকাল পার্সন, কোডিনেটর.নির্বাহী পরিচালক ) |
|
|
| সোলার লাইট ব্যবহার | সোলার সিসি ক্যামেরা ব্যবহার |
|
|
| এম আর এর নির্বাহী পরিচালক জনাব মোঃ শহিদুল ইসলাম ও সাগরিকা সমাজ উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জনাব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম মডেল খামার পরির্দশন করেন | কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পরিবেশ ক্লার্বে সভা পরিচালনা করছেন পরিবেশ কর্মকর্তা |